অক্টোবরে জাপানের রফতানি বেড়েছে ৩.৭ শতাংশ

জাপান থেকে গত অক্টোবরে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রফতানি বেড়েছে ৩ দশমিক ৭ শতাংশ।

জাপান থেকে গত অক্টোবরে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রফতানি বেড়েছে ৩ দশমিক ৭ শতাংশ। তবে বৃহত্তম বাজার যুক্তরাষ্ট্রে দেশটির রফতানি কমেছে ৩ দশমিক ১ শতাংশ। এছাড়া অক্টোবরে জাপানে আমদানি বেড়েছে দশমিক ৬ শতাংশ। খবর এপি।

জাপান সরকারের পরিসংখ্যান অনুসারে বার্ষিক ভিত্তিতে অক্টোবর পর্যন্ত টানা সাত মাস জাপান থেকে যুক্তরাষ্ট্রে রফতানি কমেছে। এর প্রধান কারণ হিসেবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আরোপিত উচ্চ শুল্কের উল্লেখ করেছে জাপানের অর্থ মন্ত্রণালয়।

জাপানের সঙ্গে গত জুলাইয়ে একটি বাণিজ্য কাঠামো ঘোষণা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ওই ঘোষণা অনুসারে জাপানি পণ্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে ১৫ শতাংশ শুল্ক প্রযোজ্য হবে, যা আগে ঘোষিত ২৫ শতাংশ শুল্কের তুলনায় কম। তবে এপ্রিলের ‘লিবারেশন ডে’র আগে জাপানি বেশির ভাগ পণ্যের ওপর শুল্ক ছিল আড়াই শতাংশ।

যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র জাপান রফতানিনির্ভর হওয়ায় ট্রাম্প আরোপিত শুল্ক দেশটির জন্য বড় চাপ হিসেবে দেখা দিয়েছে। তবে এশিয়ার অন্যান্য দেশে শক্তিশালী রফতানি এ ঘাটতি পুষিয়ে দিচ্ছে।

অক্টোবরে জাপানের সয়াবিন আমদানি বেড়েছে ৩৭ দশমিক ৩ শতাংশ। এর বিপরীতে লোহা ও ইস্পাতপণ্যের আমদানি কমেছে ১৭ দশমিক ১ শতাংশ। একই মাসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে জাপানের আমদানি ২০ দশমিক ৯ শতাংশ বেড়েছে, যেখানে প্রধান পণ্য ছিল জ্বালানি তেল ও খাদ্যপণ্য। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে কম্পিউটার যন্ত্রাংশ, বিভিন্ন যান্ত্রিক সরঞ্জাম, বাস ও ট্রাক রফতানি কমেছে।

জাপান থেকে চীনে রফতানি গত মাসে ২ দশমিক ১ শতাংশ বেড়েছে। হংকং ও তাইওয়ানে রফতানি বেড়েছে যথাক্রমে ১৯ দশমিক ২ ও ১৭ দশমিক ৭ শতাংশ।

অক্টোবরে জাপানে বাণিজ্য ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ২৩ হাজার ১৭৭ কোটি ইয়েন বা ১৫ কোটি ডলারের সমপরিমাণ। এটি এক বছর আগের ৪৯ হাজার ৯৯৫ কোটি ইয়েন থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ কম।

সম্প্রতি চীন-জাপানের মধ্যে বাণিজ্য নিয়ে নতুন উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তাইওয়ান নিয়ে জাপানি প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির মন্তব্যে ক্ষুব্ধ হয়েছে চীন। এরপর জাপানে ভ্রমণের বিরুদ্ধে সতর্কতা জারি করেছে বেইজিং। পাশাপাশি জাপান থেকে সব ধরনের সামুদ্রিক পণ্য আমদানি নিষিদ্ধ করেছে চীন।

আরও